1. admin@thedailyajkal.com : TARIP : MAHMUDUL HASAN TARIP
  2. newsdailyajkal@gmail.com : MAHMUDUL HASAN TARIP : MAHMUDUL HASAN TARIP
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চলমান তাপদাহে অগ্নি দুর্ঘটনা এড়াতে ব্যাবসায়ীদের সাথে ইউএনও’র সচেতনতামূলক সভা রাণীশংকৈলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ বালু ব্যবসায়ীকে ১৫ দিনের কারাদন্ড শ্রমিক লীগ নেতার গলায় ফাঁস নেওয়া অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রাণীশংকৈলে দুই ইটভাটা মালিককে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা রাণীশংকৈলে উপজেলা নির্বাচনে ৩ পদে ১৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল ট্রাইকো কম্পোস্ট সারে সাফল্য কোকোডাস্ট পদ্ধতিতে চারা উৎপাদনে সাফল্য মালচিং পেপার পদ্ধতিতে সবজি চাষ করে কৃষক অধিক লাভবান রাজবাড়ীতে দাঁড়িয়ে থাকা পাট বোঝাই ট্রাকে, গ্যাস বহনকারী ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ১ আমাদের হোসেনপুর ফেইসবুক গ্রুপের ঈদ পূর্ণমিলনী

কলাপাড়ায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রকাশ্যে খাল ভরাট

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪
  • ১৭৬ বার পঠিত

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অবৈধভাবে খাল ভরাট করে দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের এলেমপুর গ্রামের মধ্যদিয়ে প্রবাহমান উয়ারিয়া-ধুলাহার খালের এক-তৃতীয়াংশ ভরাট করার চিত্র ফুটে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা মৃত রফিক ঘরামীর ছেলে সরোয়ার ঘরামী এ অবৈধ দখল বানিজ্য করছে বলে জানা যায়। তিনি খালের মাটি দিয়েই তার জমি সংলগ্ন খালের অংশ ভরাট করে দখলে নিচ্ছে। অথচ প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রকাশ্যে খাল দখলে নেয়ায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সরেজমিনে জানা যায়, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের এলেমপুর গ্রামের উয়ারিয়া-ধুলাহার খালটি ওই এলাকার একটি ঐতিহ্যগত খাল। এ খাল থেকে মাছ আহরন করে অধিকাংশ মানুষ জীবন নির্বাহ করে। শুকনা সিজনে শুকিয়ে গেলেও বার্ষা মৌসুমে পানিতে কানায় কানায় পরিপূর্ণ থাকে এ খালটি। অথচ দখলবাজদের শকুনি চোখের নজরে পরে খালটি আজ মরা খালে পরিণত হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ধীরে ধীরে ভরাট হয়ে খালটি তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য হারাতে বসেছে। এতে বিপাকে পরছে স্থানীয় মৎস্যজীবী পরিবারগুলো।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দারা বলেন, একসময় বিস্তর্ণ এলাকাজুড়ে এ খালটির অবস্থান ছিলো। কিন্তু দখলবাজদের নজরে পরে খালটির আকার এখন ছোট হয়ে যাচ্ছে। যে যার মতো ভরাট করে দখলে নিচ্ছে। জানতে চাইলে বলে রেকর্ডীয় সম্পত্তি তাই ভরাট করছি।

এবিষয়ে অভিযুক্ত সরোয়ার ঘরামির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এস.এ পর্চানুযায়ী এটি আমার রেকর্ডীয় সম্পত্তি। তাই ভরাট করছি।” কিন্তু বিএস পর্চায় এটি সরকারী খালে রেকর্ডভূক্ত হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। তাহলে কিভাবে এ খালটি সে নিজের বলে দাবী করছেন তার সদুত্তর তিনি সাংবাদিকদের দিতে পারেননি।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হলাম। দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ দৈনিক আজকাল

Theme Customized By Shakil IT Park