1. admin@thedailyajkal.com : TARIP : MAHMUDUL HASAN TARIP
  2. newsdailyajkal@gmail.com : MAHMUDUL HASAN TARIP : MAHMUDUL HASAN TARIP
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চলমান তাপদাহে অগ্নি দুর্ঘটনা এড়াতে ব্যাবসায়ীদের সাথে ইউএনও’র সচেতনতামূলক সভা রাণীশংকৈলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ বালু ব্যবসায়ীকে ১৫ দিনের কারাদন্ড শ্রমিক লীগ নেতার গলায় ফাঁস নেওয়া অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রাণীশংকৈলে দুই ইটভাটা মালিককে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা রাণীশংকৈলে উপজেলা নির্বাচনে ৩ পদে ১৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল ট্রাইকো কম্পোস্ট সারে সাফল্য কোকোডাস্ট পদ্ধতিতে চারা উৎপাদনে সাফল্য মালচিং পেপার পদ্ধতিতে সবজি চাষ করে কৃষক অধিক লাভবান রাজবাড়ীতে দাঁড়িয়ে থাকা পাট বোঝাই ট্রাকে, গ্যাস বহনকারী ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ১ আমাদের হোসেনপুর ফেইসবুক গ্রুপের ঈদ পূর্ণমিলনী

ভৈরবে খাল খননের দোহাই দিয়ে চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, প্রশাসন নিরব

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ২৭ বার পঠিত

এম.আর রুবেল, ভৈরব প্রতিনিধি :
কিশোরগঞ্জের ভৈরবের মহেশপুর ও চানপুর এলাকায় কোদাল কাটি খাল থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু তুলে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে শিমুলকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল আজিজ ও কালিপুর গ্রামের ড্রেজার ব্যাবসায়ী রাশেদ মিয়ার বালু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে।
অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করলেও এবিষয়ে নিরব দর্শকের ভূমিকায় স্থানীয় প্রশাসন।

খোঁজ নিয়ে জানাযায়, মেসার্স মুমিনুল হক এণ্ড হাসান কনস্ট্রাকশন নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কোদাল কাটি খাল খননের কাজ পায়। খালটি মেঘনানদীর মোহনা মহেশপুর এলাকা থেকে কালিকাপ্রসাদের ছিদ্দিরচর পর্যন্ত এক্সকেভেটর ও শ্রমিকের মাধ্যমে খাল খনন করে দুইপাশে রাস্তা তৈরিসহ গাছ রোপনের মাধ্যমে খালের সৌন্দর্য বর্ধন করাই ছিলো সরকারের মুল উদ্দেশ্য।

কিন্তু গত কয়েক মাস আগে বর্ষা মৌসুমে এক্সকেভেটরের পরিবর্তে ১২ থেকে ১৫টি বাংলা ও লোড ড্রেজার দিয়ে অবৈধপন্হায় লাখ লাখ টাকার বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে কৃষি জমির ব্যাপক ক্ষতি করে। এঘটনায় ফুৃসে উঠে স্থানীয় কয়েকটি গ্রামের নিরীহ কৃষক।

অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে লাখ লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলন করে অন্যত্র বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ঠিকাদার ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একটি প্রভাবশালী মহল। ফলে সাধারণ কৃষকের শত শত বিঘা ফসলি জমি ভাঙ্গনের মুখে পড়ে।
শুকানো মৌসুমে এক্সকাভেটর দিয়ে খাল খননের অনুমতি নিয়ে ওয়ার্ক অর্ডারে নির্ধারিত সময়ের একমাস আগে ড্রেজারে বালু লুটপাটের অভিযোগ ছিলো ওই প্রভাবশালী বালু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে।

অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের জন্য গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর, ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ও শিমুলকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান একাধিক লিখিত অভিযোগ দেন শিমুলকান্দি ইউনিয়নের শতশত ভুক্তভোগী কৃষক। এছাড়াও তারা দফায় দফায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন।

এসব ঘটনায় কয়েক মাস বালু উত্তোলন বন্ধ থাকলেও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে আবারো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দোহাই দিয়ে মহেশপুর ও চানপুর এলাকায় ১০টি ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করার অভিযোগ উঠে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুল আজিজের নেতৃত্বধীন প্রভাবশালী বালু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে।

বুধবার ভৈরব পৌর এলাকার মহেশপুর ও শিমুলকান্দি ইউনিয়নের চানপুর এলাকায় কোদাল কাটি খালে সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, চানপুর ব্রীজের উত্তরপাশের তিনটি ড্রেজার ও দক্ষিণপাশে ৭টি ড্রেজারের মধ্যে দুটি ড্রেজারে মাটি উত্তোলন করে পাইপলাইনের মাধ্যমে কয়েকটি কৃষি জমি ভরাট করা হচ্ছে। এসময় ঘটনাস্থলে পাওয়া যায় ড্রেজার ব্যবসায়ী রাশেদ মিয়াকে। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় কিশের ভিত্তিতে ড্রেজারে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এমন প্রশ্নের জবাবে রাশেদ মিয়া বলেন বালু উত্তোলন করতে হলে কাগজপত্র লাগেনা। তবে তিনি কয়েকটি ড্রেজারে বালু উত্তোলনের কথা স্বীকার করে বলেন, তিন টাকা ফুটে ঠিকাদার মুমিনুল হক সেলিমের কাছ থেকে মহেশপুর এরিয়ায় কাজ নেন তিনি। দূরত্ব বেধে ৭ থেকে ৮টাকা ফুটে বালু বিক্রি করছেন। তার সাথে শিমুলকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো: আবদুল আজিজসহ কালিপুর এলাকার বেশ কয়েকজন নেতা বালু উত্তোলনে জড়িত রয়েছে। এবিষয়ে তিনি নিউজ না করার জন্য সাংবাদিক অনুরোধ করেন।

এবিষয়ে শিমুলকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুল আজিজের বক্তব্য নিতে বুধবার বিকেলে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বৃহস্পতিবার তিনি ক্যামেরায় বক্তব্য দেয়ার কথা বলে সাংবাদিকদের সামনে আসনেনি তিনি।

এবিষয়ে ভৈরব উপজেলা প্রকৌশলী আবুল হাসানাত মহিউদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, কোদাল কাটি খাল খননের কাজ বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদার কাজ করার লিখিত কোন নির্দেশনা নেই এখন। তিনি জানান, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৌখিক অনুমতি নিয়ে ড্রেজারে বালু উত্তোলনের কথা।

ডিসি ও ইউএনও’র মৌখিক অনুমতি নিয়ে
ভৈরবের মহেশপুর এলাকায় কোদাল কাটি খাল থেকে বালু তুলে বিক্রির করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ.কে. এম গোলাম মোর্শেদ খান। তিনি বলেন, ডিসি স্যার বা ইউএনও মৌখিক কোন আদেশ দেননি। বালু উত্তোলনের বিষয়টি তিনি অবগত নয় বলে জানান।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ দৈনিক আজকাল

Theme Customized By Shakil IT Park