
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর তিনি সরকার গঠন করেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করে। এর ফলে দলটি স্বতন্ত্রভাবে সরকার গঠনের সাংবিধানিক সুযোগ পায়।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে জাতীয় সংসদ-এ নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। পরে সংসদীয় দলের বৈঠকে বিএনপি দলীয় এমপিরা সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেন।
নতুন সরকারে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর শপথের পর পর্যায়ক্রমে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই নতুন মন্ত্রিসভা শিগগিরই দপ্তর বণ্টন ও নীতিগত অগ্রাধিকার ঘোষণা করবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
এই সরকার দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে—এমনটাই আশা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।